মঙ্গলবার ফাহিমের বাসার সামনে বিক্ষোভ করবে নিউইয়র্ক বাংলা কমিউনিটি

২০ জুলাই, ২০২০ ১৮:২০  
নিউইয়র্কের ‘মিট হাডসন নুর ইসলামিক সিমেট্রি’তে চির নিদ্রায়িত শায়িত হলেন মোবাইলভিত্তিক রাইড শেয়ারিং অ্যাপস ‘পাঠাও’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় রোববার দুপুরে এ তরুণ মেধাবী উদ্যোক্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।  ফাহিমের পরিবার ছাড়াও তার কাছের বন্ধু ও প্রতিবেশিরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সোমবার বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফাহিম সালেহ হত্যার নিন্দা এবং ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে নিউইয়র্কের নর্থ ব্রন্সের প্রতিবাদ করেছেন স্থানীয় বাংলাদেশীরা। কর্মসূচি থেকে আগামী মঙ্গলবার ম্যানহাটন ডাউন টাউনের হ্যানসনস্ট্রিটে নিহত ফাহিমের বাসার সামনে মুক্ত প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়েছে। অপরদিকে বাংলাদেশী কমিউনিটির পক্ষ থেকে তরুণ সিইওদের নিয়ে নিউইয়র্ক মেয়রের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিবাদলিপি দিতে যাচ্ছে জাস্টিস ফর ফাহিম সালেহ ফ্রেসবুক গ্রুপ। এই গ্রুপের প্রশাসক ও ট্রান্সফোটেক সিইও শেখ গালিব রহমান। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে নিজ ফ্ল্যাট থেকে, রাইড শেয়ারিং অ্যাপস পাঠাওয়ের অন্যতম উদ্যোক্তা ফাহিমের খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৯০ হাজার ডলার চুরির দায়ে চাকুরিচ্যুত ব্যক্তিগত সহকারী টাইরিজ হাসপিল তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে নিউইয়র্ক পুলিশ। গ্রেফতারের পর শুক্রবার মধ্যরাতে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। তবে হাসপিলের আইনজীবীর বক্তব্য, টাইরিজ নিদোর্ষ হওয়ার কারণেই পুলিশের আত্মসমর্পন করেছে। রবিবার তার আইনজীবীরা আদালতকে জানান, নিউ ইয়র্কের স্থানীয় বাসিন্দা ২১ বছরের হাসপিল-এর বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে এ ধরনের কোনও অভিযোগ ছিল না।